ভালোবাসা কত প্রকার ও কি কি | ভালবাসা কাকে বলে

ভালোবাসা কত প্রকার ও কি কি | ভালবাসা কাকে বলে, ভালোবাসা কাকে বলে ছবি ,ভালবাসা কাকে বলে কবিতা ,একতরফা ভালোবাসা কাকে বলে ,রিয়েল ভালোবাসা কাকে বলে? ,সত্যিকারে ভালোবাসা কাকে বলে ,ভালোবাসা কাকে বলে sms .

 

ভালবাসা কাকে বলে.

https://bloggpower.com/

ভালোবাসার কোনো সংজ্ঞা এখনো কেউ বের করতে পারেনি। এটাকে সংজ্ঞা দিয়ে আবদ্ধ করা ঠিক হবে না আসলে।

ভালোলাগা ক্ষণিকের জন্য। কিন্তু ভালোবাসা সারা জীবনের জন্য। দুটিকে মিশিয়ে ফেলবেন না। আমরা ভালোলাগাকে ভালোবাসা বানিয়ে ফেলি বলেই সমস্যার সৃষ্টি হয়।

ভালোবাসার যে প্রকারভেদ আছে তাই জানতাম না। সম্ভবত কোনো মনোবিজ্ঞানী ভালো উত্তর দিতে পারবে আমার চেয়ে । কিন্তু আমি আমার মতামতটা দিলাম। ধন্যবাদ।

ভালোবাসা এক ধরনের অনুভূতি। ভালোলাগা আর ভালোবাসা এক অর্থ নয়। ধরুন রাস্তাঘাটে চলাফেরার সময় আপনার 10 জনকে ভালো লাগল কিন্তু তাদের 10 জন কেই কি আপনি ভালোবাসেন। উত্তর না। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আর্কষণের দিক থেকে তাদের সবাইকে আপনার ভালো লাগতে পারে কিন্তু সবাইকে ভালোবাসতে পারবেন না। ভালোবাসা অনেক প্রকার হয়। যেমনঃ মা- বাবার প্রতি ভালোবাসা, ভাই বোনের প্রতি ভালোবাসা, পরিবারের প্রতি ভালোবাসা, সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালোবাসা ইত্যাদি। বিপরীত লিঙ্গের আর্কষণের প্রতি থেকে আমার মনে হয় ভালোবাসা দুই প্রকার। আরও নির্দিষ্ট করে বললে চার প্রকার যথাঃ

  1.   সমাপ্ত ভালোবাসাঃ যেখানে দুজনের ভালোবাসার একটি শুভ পরিণতি / সমাপ্ত হয় তাকে সমাপ্ত ভালোবাসা বলে।
  2. অসমাপ্ত ভালোবাসাঃ দুজন দুজনকে ভালবাসত কিন্তু কোনো কারণে সেটি সমাপ্ত হয়নি।
  3.  না বলা ভালোবাসাঃ অনেক ভালোবাসা ছিল কিন্তু কখনো ভালোবাসার মানুষটিকে বলা হয়নি। ভালোবাসার অনুভূতি নিজের মনেই ছিল। তা আর প্রকাশ করা হয়নি।
  4. একতরফা ভালোবাসাঃ এখানে শুধু একজনই ভালোবাসে। অপরজন ভালোবাসে না। ভালোবাসা টা একপক্ষের হয়।

 

ভালোবাসা একটি মানবিক অনুভূতি এবং আবেগকেন্দ্রিক একটি অভিজ্ঞতা। বিশেষ কোন মানুষের জন্য স্নেহের শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ভালোবাসা। তবুও ভালোবাসাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভাগ করা যায়। আবেগধর্মী ভালোবাসা সাধারণত গভীর হয়,বিশেষ কারো সাথে নিজের সকল মানবীয় অনুভূতি ভাগ করে নেয়া, এমনকি শরীরের ব্যাপারটাও এই ধরনের ভালোবাসা থেকে পৃথক করা যায়না। ভালোবাসা বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমন:

নিস্কাম ভালোবাসা, ধর্মীয় ভালোবাসা, আত্মীয়দের প্রতি ভালোবাসা ইত্যাদি। আরো সঠিকভাবে বলতে গেলে, যে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রতি অতিরিক্ত স্নেহ প্রায় সময় খুবই আনন্দদায়ক হতে পারে…এমনকি কোন কাজ কিংবা খাদ্যের প্রতিও। আর এটাই অতি আনন্দদায়ক অনুভূতিই হলো ভালোবাসা।

তবে ভালোলাগাকেই সবসময় ভালোবাসার নাম দেয়া যায় না। ভালোলাগা ভালোবাসায় পরিণত হতে পারে তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হতে অনেক সময় লাগে। এখন তা নির্ভর করে আপনি কারো বাহ্যিক দিক দেখে ভালোলাগার সৃষ্টি না ভেতরের রূপ দেখে ভালোলাগার সৃষ্টি। আপনাকে আসলে অনুধাবন করতে হবে বেশ সময় ধরে।

ভালোবাসা: এইটা কতগুলো আবেগের বহিঃপ্রকাশ।

১. বোঝাপড়া

২. বিশ্বাস,

৩. শ্রদ্ধা,

৪. যত্ন

৫. দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন

৬. আন্তরিকতা

উপরোক্ত সবগুলোর বহিঃপ্রকাশ এর ফলাফল ভালোবাসা।

২য় অংশ:

ভালোবাসা আর ভালোলাগা এক না।

৩য় অংশ ঃঃঃঃঃঃ

সম্পর্কের অনুসারে প্রকারভেদ। যেমন, বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী ইত্যাদি

ভালবাসার কিছু নাম .

শুধুই শারীরিক সম্পর্ক, শারীরিক আনন্দ, চরম-পুলকলাভ এগুলোকেই ভালবাসা বলে না, আরো অনেক কিছুর নাম ভালবাসা।


  • ছাত্র হলের অরুচিকর ব্রয়লার মুরগির মাংস দিয়ে খেয়ে কোনো মত দিন গুজরান করেও, মাকে ফোনে খুব ভালো আছি আম্মু বলার নাম ভালবাসা!
  • বন্ধুরা প্রতিদিন নামি-দামি হোটেলে গিয়ে ফেসবুকে চেক-ইন, ডে দিলেও বাবার কথা চিন্তা করে মধ্যবিত্ত ছেলেটার স্রোতে গা না ভাসানোটা ভালবাসা।
  • স্রষ্টার কাছে মাথা নত করতে পারাটাই অনেকের কাছে ভালবাসা!
  • সেই হাইস্কুলের স্যারের কথা মনে করে চোখটা ছলছল করে ওঠাটা ভালবাসা।
  • ভাইয়ের কাছে বোনের এরকম একটা চিঠি নিঃসন্দেহে ভালবাসা –
  • পকেটে টাকা শেষ, বিকাশে পেমেন্ট করে হলেও বই কেনাটা ভালবাসা।
  • নিজের কাছে নেই, তাও ধার করে হলেও বন্ধুর প্রয়োজনে সাহায্য করার নাম ভালবাসা।
  • রিকশাওয়ালা মামাকে ভাড়ার এক্সট্রা বেশি না, বিশটা টাকা দেওয়াও ভালবাসা! একটা দিন শুধু দিয়েই দেখুন না!
  • রাস্তার সব সওয়ালকারীই কিন্তু ভণ্ড না, তাই উপযুক্ত লোকদের কিছু খুচরা টাকা-পয়সা (ঝাড়ি দেওয়ার বদলে) দেওয়াটা ভালবাসা।
  • নিজের অতিরিক্ত বইটা/যেকোনো কিছু যার প্রয়োজন এমন কাউকে দিয়ে দেওয়ার নাম ভালবাসা!
  • কেউ দেখছে না, এরকম অবস্থাতেও যেকোন খারাপ কাজ থেকে বেঁচে থাকা, এর মাঝেও লুকিয়ে আছে স্রষ্টার প্রতি ভালবাসা!
  • নিজের মায়ের ভাষায় কথা বলার জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দেওয়া আর কিছুই নয় ভালবাসা ছাড়া!
  • শোষকদের হাত থেকে প্রিয় দেশকে রক্ষা করতে জীবন বাজি লাগিয়ে যুদ্ধ করার নাম ভালবাসা!
  • দেশের কথা মনে পরে গিয়ে গায়ের রোম দাঁড়িয়ে যাওয়াটাও ভালবাসা।
  • দেশকে ভালবেসে ঘুষ নেওয়া থেকে বিরত থাকার নাম ভালবাসা।
  • দুর্নীতির এই যুগে বহুল প্রতিকূলতার মধ্যেও সৎ থাকার আপ্রাণ চেষ্টার মূলেও রয়েছে নিজের কাছে দায়বদ্ধতা, নিজের সত্তার প্রতি ভালবাসা।
  • তিনি শ্রমিক বলেই তাকে অবজ্ঞা করবেন না! তাকেও সালাম দেওয়া, তার সাথেও হাসি মুখে কথা বলাটা ভালবাসা।
  • ক্লাসে আনমনা থাকা, কথা কম বলা ওই ইন্ট্রোভার্ট ছেলেটার সাথে মিশুন। যার বন্ধু কম বা নেই আপনি না হয় তারই বন্ধু হলেন! এটাই ওর প্রতি ভালবাসা।
  • নোট, স্লাইড গুলো দয়া করে আপনার পিসিতে লুকিয়ে রাখবেন না, বাকিদের মাঝেও ছড়িয়ে দিন। শেয়ারেই কেয়ার। এটাই হোক তাদের প্রতি আপনার ভালবাসা।
  • কারো সাধ্যের অতিরিক্ত যেকোনো কিছু তার কাছে দাবি না করাটাই তার প্রতি ভালবাসা।
  • এই পৃথিবীটাকে ভালবেসে এর উন্নতিকল্পে কাজ করে যাওয়ার নামও ভালবাসা।
  • আর হ্যাঁ, এই যে উত্তরটা লিখলাম, এটার মূলেও কিন্তু ওই পাঠক বন্ধু আপনার প্রতি আমার ভালবাসাই!

ভালবাসাগুলো বেঁচে থাকুক আজীবন।

সত্যিকারের ভালোবাসার মানে কী?

একে অপরকে বিশ্বাস করা বিপদে আপদে পাশে থাকা.

বিশ্বাস,ত্যাগ,কষ্ট স্বীকার,নির্লোভী,সমর্থন, বিভিন্ন গুণের মধ্যে দিয়েই প্রকৃত ভালোবাসা ফুটে উঠে।

সত্যিকার ভালোবাসা অর্থ এক এক দিক দিয়ে এক এক ভাবে আসে….. তবে ভালোবাসার অর্থ হলো আপন করে নেওয়া….. আপনি যদি কোনো ব্যাক্তি বা যে কোনো বস্তুকেও ভালোবাসেন এর মনে হলো আপনি তাকে মনে মনে নিজের কাছে টেনে নিয়েছেন…..

যদি ভালোবেসে আপনি কাউকে আটকে রাখতে চান, তার থেকে কিছু প্রত্যাশা করেন, তবে তা আসক্তি। যদি কিছু প্রত্যাশা না করে ভালোবাসার জন্যই ভালোবাসেন, তাই আসল ভালোবাসা।

ভালবাসার নির্দিষ্ট কোন সংজ্ঞা নাই, যা দিয়ে ভালবাসাকে সঙ্গায়িত করা যায়, যে পাশে থাকলে ভালোলাগার সব অনুভূতি কাজ করে আর দূরে গেলে সব অন্ধকার লাগে, সারাক্ষণ তার চিন্তায় মগ্ন থাকতে ভালোলাগে, এটাইতো সত্যিকারের ভালোবাসা |

এটি খুব শীঘ্রই বিয়ের প্রথাকে বিলুপ্ত করে দেবে। খুব সহজেই যেহেতু বিছানায় যাওয়া যায় আর অনেক সহজে যেহেতু বিচ্ছেদ করা যায় তাই ভোগবাদী সমাজের জন্য যৌন সম্পর্ক স্থাপনের আদর্শ পন্থা। ছেলেদের জন্য এটা – মধু খাও উড়ে যাও ।

ভোগবাদী মানুষ শুধু ভোগ করতে চায়, দায়িত্ব বা অন্যান্য ঝুট ঝামেলা পোহাতে চায়না। প্রেম-ভালোবাসা বলে কথিত এই মন্ত্র তাই ভীষণ জনপ্রিয়।

বিছানায় যেতে না কোন ডুকমেন্ট না কোন আইনি কাগজপত্র। আগে ভারত বর্ষে প্রেম মড়ক আকারে ছিলনা। বিয়ে হত তাড়াতাড়ি তাই প্রেম ভালবাসার দরকার পড়েনি। মূলত প্রেম শরীরের চাহিদা মেনেই হয়। কোন থুড়থুড়ে বুড়ো বুড়ি কারো প্রেমে পড়ে না।

কি হবে যদি বিয়ে না থাকে?

  • কিশোরী মায়ের সংখ্যা হু হু করে বাড়বে।

পশ্চিমে এই প্রথা স্বাভাবিক করার জন্য টিভি সিরিজ বানানো হচ্ছে। অনেকের অভিযোগ টিন মেয়েদের উৎসাহিত করা হয়েছে এসব সিরিজে।


খুবই অগুরুত্বপূর্ণ একটা জিনিস। এর খুব দরকার আছে বলে মনে হয় না। বরং এটাকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে বহু প্রাণ ঝরে গেছে, বহু প্রতিভা বিলীন হয়ে গেছে। প্রেম হলো, একটা নিতান্ত সাধারণ বিষয়। যৌন সম্পর্ক স্থাপনের কাব্যিক ভাষা হলো প্রেম। যদি শারীরিক আকর্ষণ না থাকতো তবে পৃথিবীতে প্রেম বলে কিছু থাকতো বলে মনে হয় না। থাকতো শুধু নিখাদ ভালোবাসা।

আসক্তি ও ভালোবাসা কী এক? মানব সমাজে এই দুই শব্দের তাৎপর্য কেমনভাবে করা হয়?

প্রথমে জানতে হবে আসক্তি কি আর ভালোবাসা কি?? আসক্তি হচ্ছে কোন কিছুর প্রতি ঝুঁকে পড়া যার প্রতি মন থেকে টান না থাকলেও,,এমন ও হতে পারে আপনি অন্যায় কোন কাজ করেন আসিক্তর বসে যেটা আপনি স্বাভাবিক মানসিকতা নিয়ে করতে চান না,, অদৃশ্য কোন কিছু টেনে হিচরে আপনাকে করায় বা প্রচারণা দে য়,,আর ভালোবাসা হচ্ছে কোন কিছু বা কারোও প্রতি একটা আবেগ স্পৃহা,,, সম্মান বোধ করা ,,

এখানেও একটা আসক্তি আছে,,কিন্তু সত্যিকার অর্থে ভালোবাসায় ও একটা আসক্তি কাজ করে,,যার জন্য দেখা যায় সবকিছু আলাদা হলেও সত্যিকার ভালোবাসা কখনও আলাদা হয়না,,এখন আসি সত্যিকারের ভালোবাসা টা কি?? সত্য কথা মনে হচ্ছে যেখানে মিথ্যার কোন স্থান থাকেনা,,রাগ,অভিমান,,,সবকিছু ইথাকে,,কিন্তু মিথ্যা আসক্তি থাকেনা,,যেমন ধরেন পরিবার এর প্রতি ভালোবাসা ,,আরো কিছু সেনসিটিভ বিষয় আছে,,যা লিখতে গেলে মনে হয় সকাল হতে যাবে,, ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য,,তবে পুরোটাই আমার বাস্তব জীবন থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা,,না ও হতে পারে আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য,,